April 22, 2026, 6:43 am
শিরোনাম:
রায়পুরে ফুটপাত দখল ও মূল্য তালিকা না থাকায় মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ৯ হাজার টাকা ‎ রায়পুর চরপাতা থে‌কে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ২ জন‌ গ্রেফতার কমলনগরে অটোরিক্সাসহ চোর চক্রের ৪(চার) সদস্য গ্রেফতার। রায়পুরে ইঞ্জিনিয়ার ছাড়াই সিসি ঢালাইয়ের কাজ: উর্ধ্বতন প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা আজ থেকে সারা দেশে শিশু‌দের হামের টিকা ‌দেওয়া হ‌বে তে‌লের পর বাড়লো গ‌্যা‌সের দাম! লক্ষ্মীপুর রামগতি‌তে বিশেষ অভিযানে২৪ ড্রাম অবৈধ জালানি তেল জব্দ! গ্রেফতর ১ জন শত বছরের মীরগঞ্জ বাজার দেউলিয়ার পথে: মসজিদের জমি রক্ষায় ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী রায়পুরে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য রায়পু‌রে ইয়বা এবং গাঁজাসহ ৪ মাদক ব‌্যবসায়ী গ্রেফতার
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আজাদ

Reporter Name

ডেস্ক নিউজ:
১১ দলীয় লিয়া‌জে‌াঁ ক‌মি‌টির জরুরী বৈঠ‌কে জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আজাদ ব‌লেন ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের জন্য আগামী দিনটিকে সরকারের জন্য শেষ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হবে ব‌লে।

আজ ১৪ মার্চ (শনিবার) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আজাদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুুদ্দিন, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব ফয়সাল খান, জাগপার সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, এবি পার্টির দফতর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন রানা, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর আবদুল মাজেদ আতহারী, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নিয়ামত বশির ও লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।

এসময় তিনি বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আমরা গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করছি। দীর্ঘদিন পর দেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনগণ আশা করেছিল একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হবে। উপদেষ্টাদের একজনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের একটি অংশ জড়িত ছিল। তারপরও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আমরা এই নির্বাচন মেনে নিয়েছি এবং আমাদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, একই দিনে দুটি বিষয়ে ভোট অনুষ্ঠিত হয়- একটি জাতীয় সংসদ গঠনের জন্য এবং অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের জন্য। একই দিনে ভোট গ্রহণ, ফলাফল ঘোষণা এবং গেজেট নোটিফিকেশনও সম্পন্ন হয়েছে। তাই জনগণের রায়ের ভিত্তিতে সরকারকে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, জাতীয় সংসদের অধিবেশন ডাকা হলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অধিবেশন এখনো ডাকা হয়নি। অথচ জুলাই সনদ অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন আহ্বানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দেবেন এবং সেই অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধিবেশন আহ্বান করবেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জাতীয় সংসদের সদস্যদের শপথ গ্রহণ করিয়েছে, কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ গ্রহণ করানো হয়নি। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, সংস্কার প্রক্রিয়ার বিষয়ে সরকারের অবস্থানে পরিবর্তন এসেছে। অথচ গণভোটে বিপুল জনগণ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। তাদের এই রায়কে উপেক্ষা করা জাতির সঙ্গে এক ধরনের অবমাননার শামিল।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা আমাদের উদ্বিগ্ন করছে। আজ পর্যন্ত সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অধিবেশন ডাকা হয়নি। পঞ্জিকা অনুযায়ী নির্ধারিত সময় প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। এর মধ্যে যদি সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকে, তাহলে আমরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হব।

তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি- সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের জন্য আগামী দিনটিকে সরকারের জন্য শেষ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হবে। যদি এর মধ্যে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ না নেয়, তাহলে আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই- এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার যদি জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে, তাহলে সংসদের ভেতরে যেমন আমাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে, তেমনি রাজপথেও আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

তিনি জানান, আগামীকাল পর্যন্ত সরকার যদি এ বিষয়ে উদ্যোগ না নেয়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে রাজপথে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে ১১ দলীয় ঐক্য। খুব শিগগিরই শীর্ষ নেতাদের বৈঠক করে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সরকার সঠিক পথে না চললে সংসদ ও রাজপথ- উভয় ক্ষেত্রেই আন্দোলন গড়ে তোলা হবে ইনশাআল্লাহ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা