July 17, 2026, 8:41 am
শিরোনাম:
রায়পুরে মোটরসাইকেল-সিএনজি সংঘর্ষে আহত ৪, গুরুতর আহত তরিকুল ইসলাম সজিব রায়পুরে ‘জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পশ্চিম কেরোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত পরিচালনা কমিটির সকল সম্মানিত সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অ‌ভিনন্দন রায়পুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক রায়পুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যা নাকি আত্মহত্যা—এলাকাজুড়ে নানা প্রশ্ন রায়পুরে উপজেলা উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে মতবিনিময় সভা লক্ষ্মীপুরে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, ৪ প্রতিষ্ঠানে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা রায়পুরে মোবাইল কোর্টের অভিযান: প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি ও লাইসেন্স না থাকায় দুই ফার্মেসিকে জরিমানা রায়পুরের ৩ নম্বর ইউনিয়নে খাল খননের ভেকুর কারণে রাস্তার বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরম হায়দারগঞ্জে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিদ্যুতের পিলার স্থানান্তরের অভিযোগ, এলাকায় চাঞ্চল্য
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানা‌লেন ডা.শ‌ফিকুর রহমান

Reporter Name

ডেস্ক নিউজ:
প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানি‌য়ে‌ছেন বি‌রোধীদলীয় নেতা ডা. শ‌ফিকুর রহমান।

‌তি‌নি ব‌লেন বাংলাদেশ একসময় কার্যত নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। নদীগুলো সচল ছিল। নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন এবং কৃষিক্ষেত্রে নদী ছিল বিশাল নিয়ামক শক্তি। তার পাশাপাশি মৎস্য সম্পদ, জমির উর্বরা সংরক্ষণ এবং বর্ষাকালে পানি প্রবাহ সঠিক থাকার কারণে ঘনঘন বন্যা এবং এই জনিত দুর্ভোগের প্রাদুর্ভাব কমই হতো।

কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে একদিকে ফারাক্কা বাঁধের অভিশাপ অন্যদিকে প্রধান প্রধান নদীগুলো সহ সকল গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদী, খাল এবং বিল ভরাট হওয়ার ফলে একসময়ের স্রোতস্বিনী নদীগুলো এখন ভরা মৌসুমে পানি ধারণ করতে পারে না। ফলে অকাল বন্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, শুকনো মৌসুমে মরুভূমির রূপ ধারণ করে। বর্ষায় পানির প্রবাহ বিঘ্নিত হয়ে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এমনকি প্রধান প্রধান শহর ও নগরগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। আবার শুকনো মৌসুমে যেখানে নৌ-চলাচল ও কৃষির জন্য পানির প্রয়োজন হয় সেখানে ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করার মত পানি থাকে না।

অতএব দেশ বাঁচাতে হলে প্রধান প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং সম্পন্ন করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের উচিত হবে দেশ বাঁচানোর স্বার্থে নদ-নদী গুলোর জীবন ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।

মনে রাখতে হবে- অতীতে ড্রেজিং এর নামে, নদী শাসনের নামে, নদী সংস্কারের নামে বাজেট বরাদ্দ হলেও তার কোন সুফল পাওয়া যায়নি। কারণ লুটপাটতন্ত্র ছিল তখন শাসকদের মূলনীতি।

সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার কোন বিকল্প নেই। দেশবাসীর আমানত সর্বোত্তম পন্থায় স্বচ্ছতার সাথে কাজে লাগানো সরকারের দায়িত্ব। সরকার মূলত দেশবাসীর পক্ষে সকল কর্মকাণ্ডে ব্যবস্থাপকের ভূমিকা পালন করবে।
এমনকি খাল খননের সুফল তখনই পাওয়া যাবে- যখন নদীগুলো প্রাণ ফিরে পাবে, নাব্যতা ফিরে পাবে। অন্যথায় খাল খনন থেকেও জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুফল পাবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা