April 10, 2026, 11:13 pm
শিরোনাম:
ইরা‌নি মুদ্রায় ইরান‌কে টোল দি‌তে হবে হরমুজ প্রণালিতে শেরপুর-বগুড়া উপনির্বাচনে অনিয়মের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ হরমুজ প্রনা‌লি‌তে যুক্তরা‌ষ্ট্রের ২০ কো‌টি ডলা‌রের ড্রোন নি‌খোঁজ! আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ‌হ‌য়ে‌ছে মাল‌য়ে‌শিয়ার শ্রমবাজার খোলার জন‌্য দুই দে‌শের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হ‌য়ে‌ছে চু‌ক্তি ভঙ্গ করায় হরমুজপ্রনা‌লি পুনরায় বন্ধ করল ইরান সৌ‌দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ফ‌রিদগঞ্জের প্রবাসীর মর্মা‌ন্তিক মৃত‌্য! ওসমান হাদি হত্যার দুই আসামিকে ফেরত পাঠাতে সম্মত হ‌য়ে‌ছে ভারত রাজধানীর কিছু স্কুলে পরীক্ষামূলক অনলাইন-অফলাইন ক্লাস চালু হতে পারে : শিক্ষামন্ত্রী রায়পুর পৌরসভা কর্তৃক এডিপির ৯টি প্রকল্পের উন্নয়ন কাজের স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার লটারি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানা‌লেন ডা.শ‌ফিকুর রহমান

Reporter Name

ডেস্ক নিউজ:
প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানি‌য়ে‌ছেন বি‌রোধীদলীয় নেতা ডা. শ‌ফিকুর রহমান।

‌তি‌নি ব‌লেন বাংলাদেশ একসময় কার্যত নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। নদীগুলো সচল ছিল। নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন এবং কৃষিক্ষেত্রে নদী ছিল বিশাল নিয়ামক শক্তি। তার পাশাপাশি মৎস্য সম্পদ, জমির উর্বরা সংরক্ষণ এবং বর্ষাকালে পানি প্রবাহ সঠিক থাকার কারণে ঘনঘন বন্যা এবং এই জনিত দুর্ভোগের প্রাদুর্ভাব কমই হতো।

কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে একদিকে ফারাক্কা বাঁধের অভিশাপ অন্যদিকে প্রধান প্রধান নদীগুলো সহ সকল গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদী, খাল এবং বিল ভরাট হওয়ার ফলে একসময়ের স্রোতস্বিনী নদীগুলো এখন ভরা মৌসুমে পানি ধারণ করতে পারে না। ফলে অকাল বন্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, শুকনো মৌসুমে মরুভূমির রূপ ধারণ করে। বর্ষায় পানির প্রবাহ বিঘ্নিত হয়ে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এমনকি প্রধান প্রধান শহর ও নগরগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। আবার শুকনো মৌসুমে যেখানে নৌ-চলাচল ও কৃষির জন্য পানির প্রয়োজন হয় সেখানে ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করার মত পানি থাকে না।

অতএব দেশ বাঁচাতে হলে প্রধান প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং সম্পন্ন করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের উচিত হবে দেশ বাঁচানোর স্বার্থে নদ-নদী গুলোর জীবন ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।

মনে রাখতে হবে- অতীতে ড্রেজিং এর নামে, নদী শাসনের নামে, নদী সংস্কারের নামে বাজেট বরাদ্দ হলেও তার কোন সুফল পাওয়া যায়নি। কারণ লুটপাটতন্ত্র ছিল তখন শাসকদের মূলনীতি।

সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার কোন বিকল্প নেই। দেশবাসীর আমানত সর্বোত্তম পন্থায় স্বচ্ছতার সাথে কাজে লাগানো সরকারের দায়িত্ব। সরকার মূলত দেশবাসীর পক্ষে সকল কর্মকাণ্ডে ব্যবস্থাপকের ভূমিকা পালন করবে।
এমনকি খাল খননের সুফল তখনই পাওয়া যাবে- যখন নদীগুলো প্রাণ ফিরে পাবে, নাব্যতা ফিরে পাবে। অন্যথায় খাল খনন থেকেও জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুফল পাবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা