June 10, 2026, 5:40 am
শিরোনাম:
রায়পুরে খাল উদ্ধার অভিযান: ৬১ স্থাপনা উচ্ছেদ, এবার কি মিলবে স্থায়ী সমাধান? লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেলেন ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ রায়পুরে মাকে মারধরের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে রায়পুরে জনদুর্ভোগ নিরসনে মাঠে ইউএনও মেহেদী হাছান কাউছার নতুন প্রজন্মকে ফুটবল উপহার, মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বার্তা ছাত্রদল নেতা আব্দুল আল নোমানের রায়পুরে অগ্নিকাণ্ড: ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে উদ্ধার তৎপরতায় যুব রেড ক্রিসেন্ট শিশু ফারাবি হত্যার বিচারের দাবিতে রায়পুরে মহাসড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন রায়পুরে প্রতিবেশীর নির্যাতনে যমজ শিশু হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন রায়পুরে উৎসবমুখর পরিবেশে অ্যাডভোকেট রফিক উল্যাহ সোহাগের কনিষ্ঠ পুত্রের আকিকা সম্পন্ন রায়পুরে সপ্তর্ষি কালচারারএকাডেমীর বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

লক্ষ্মীপুরে টমেটোর বাম্পার ফলন হিমাগার না থাকায় দুশ্চিন্তায় কৃষক

Reporter Name

মাহমুদুর রহমান মনজু
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরের পাঁচটি উপজেলায় চলতি মৌসুমে টমেটোর বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও রোগবালাই কম থাকায় দিগন্তজোড়া মাঠজুড়ে এখন লাল টমেটোর সমারোহ দেখা যাচ্ছে। তবে ভালো ফলনের আনন্দ ম্লান হয়ে যাচ্ছে সংরক্ষণ সংকটে। জেলায় কোনো হিমাগার না থাকায় পচনশীল এই সবজি সংরক্ষণ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার আশঙ্কায় লোকসানের আতঙ্ক ভর করেছে উপকূলীয় এ জেলার প্রান্তিক চাষিদের মনে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে টমেটোর আবাদ হয়েছে। সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ এলাকার মাঠ ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা গাছ থেকে পাকা টমেটো সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
স্থানীয় কৃষক বেলাল ও কাশেম জানান, “এবার ফলন আশাতীত ভালো হয়েছে। কিন্তু সার ও কীটনাশকের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ অনেক বেশি পড়েছে। টমেটো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকলে ন্যায্যমূল্য পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে।”
চাষিদের অভিযোগ, টমেটো অত্যন্ত দ্রুত পচনশীল হওয়ায় বেশিদিন ঘরে রেখে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। জেলায় হিমাগার না থাকায় তারা মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে কম দামে মাঠ থেকেই ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। সংরক্ষণের সুযোগ থাকলে বাজার পরিস্থিতি বুঝে বিক্রি করে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা যেত বলে মনে করছেন কৃষকেরা।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান ইমাম বলেন, “চলতি মৌসুমে টমেটোর ফলন অত্যন্ত সন্তোষজনক। তবে পচনশীল পণ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কৃষকদের এই সংকট নিরসনে সরকারি পর্যায়ে উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা চলছে। আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে কৃষকেরা প্রকৃত অর্থে লাভবান হবেন।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা