দেশ দিগন্ত ডেস্ক :-ঠোঁয়াস একটি অপ্রচলিত আঞ্চলিক সবজি। এ সবজি অনেকে হয়তো চিনবেন না। রান্না অথবা ভাজি সব ক্ষেত্রে এটি অতুলনীয়।
বর্ষায় মৌসুমে এই সবজি লাগানোর আদর্শ সময়। ডোবা, জলাশয়, পুকুর পাড় পরিত্যক্ত নিচু জমিতে লাগান এবং ভুলে যান। এক বছর পর ফসল ঘরে তুলতে পারবেন।
ঠোঁয়াস একটি জলজ সবজি। সচরাচর বর্ষাকালে পাওয়া যায়। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের একটি বিলুপ্তপ্রায় সবজি। পূর্বে কুমিল্লা, ফেনি, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও চট্রগ্রামের কিছু কিছু এলাকায় বর্ষাকালে ঠোঁয়াস পাওয়া যেত। এখনো কিছুকিছু এলাকার গ্রাম্য বাজারে আটিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা করে পাওয়া যায়। ফেনীর সোনাগাজীতে জমি, পুকুর, খাল-বিলে পানিতে এর বানিজ্যিক চাষ হয়।
ঠোঁয়াস পরিচিতি : নোয়াখালী ফেনী অঞ্চলে এটা ঠোঁয়াস নামে পরিচিত। এটা একটি জলজ সবজি, সচরাচর বর্ষাকালে পাওয়া যায়। নোয়াখালী ফেনী অঞ্চলে সবজি হিসেবে মাছের সাথে কিংবা ভেজে কখনো কখনো ভর্তা হিসেবে খাওয়া হয়। সুস্বাদু, স্বাদ কিছুটা শাপলার কাণ্ডের মত। এটা আঁশ সমৃদ্ধ হওয়ায় ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী। অনেক চেষ্টা করেও এর সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য পাইনি। তাই এর বৈজ্ঞানিক নাম ও শুদ্ধ নাম অজানাই রয়ে গেছে। তবে এটা বাংলাদেশের বিলুপ্ত প্রায় সবজি।
রান্না প্রণালী সংক্ষেপে : এটি শাপলার মতই কুটে বেছে নিতে হয় ডাটা শাকের মত বললেই চলে।
তারপর ধুরে মাছ বা ডাল রান্না অথবা শাপলার মত শুকনো ভাজি করে খেতে অনেক স্বাদ।
প্রাপ্তিস্থান ও বিস্তার : এটি সাধারণ পুকুর বা ছোট খাটো জলাশয়ে হয়ে থাকে। ঠোঁয়াস গাছ সাকার তৈরি করে। এর গীটসহ কান্ড বা সাকার একবার কাদামাটিতে লাগিয়ে দিলেই হলো। এটি পানি শুকিয়ে গেলেও মাসের পর মাস মাটিতে বাঁচে। পর্যাপ্ত পরিমান পানি পেলে এই সবজি দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
এ সবজি চাষের জন্য বিশেষ কোন পরিশ্রম নেই।
বৃদ্ধিকাল: বর্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত