June 15, 2026, 1:23 pm
শিরোনাম:
রায়পুরে খাল উদ্ধার অভিযান: ৬১ স্থাপনা উচ্ছেদ, এবার কি মিলবে স্থায়ী সমাধান? লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেলেন ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ রায়পুরে মাকে মারধরের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে রায়পুরে জনদুর্ভোগ নিরসনে মাঠে ইউএনও মেহেদী হাছান কাউছার নতুন প্রজন্মকে ফুটবল উপহার, মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বার্তা ছাত্রদল নেতা আব্দুল আল নোমানের রায়পুরে অগ্নিকাণ্ড: ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে উদ্ধার তৎপরতায় যুব রেড ক্রিসেন্ট শিশু ফারাবি হত্যার বিচারের দাবিতে রায়পুরে মহাসড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন রায়পুরে প্রতিবেশীর নির্যাতনে যমজ শিশু হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন রায়পুরে উৎসবমুখর পরিবেশে অ্যাডভোকেট রফিক উল্যাহ সোহাগের কনিষ্ঠ পুত্রের আকিকা সম্পন্ন রায়পুরে সপ্তর্ষি কালচারারএকাডেমীর বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পুরনে এগিয়ে এলেন লক্ষ্মীপুরের ডিসি

Reporter Name

প্রদীপ কুমার রায়: কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়ে অর্থ সংকটে থাকা দারিদ্র্য পরিবারের সন্তান শিমা আক্তার চোখেমুখে অন্ধকার দেখছিলেন। অনিশ্চিত হয়ে পড়ে মেডিকেল কলেজে ভর্তি নিয়ে। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসলে তার দায়িত্ব নেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসক (ডিসি) রাজীব কুমার সরকার তার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শিমার হাতে ভর্তির প্রয়োজনীয় টাকাসহ শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেন। এতে ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবন নিয়ে অন্ধকার দূর হয়েছে শিমার। শিমা কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরজাঙ্গালীয়া গ্রামের আলী আহমেদের মেয়ে। তারা ৬ ভাই বোন। এরমধ্যে সে পরিবারের পঞ্চম সন্তান। সম্প্রতি ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৪৩১৬তম স্থান অর্জন করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে সুযোগ পায় শিমা। শিমা আক্তার বলেন, মেডিকেল পড়া আমার স্বপ্ন ছিল। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে আমি ভর্তির জন্য চূড়ান্ত হয়েছি। কিন্তু টাকার অভাবে তা ভেস্তে যেতে বসেছে। এখন জেলা প্রশাসন ও কমলনগর উপজেলা প্রশাসন আমাকে ভর্তির জন্য আর্থিকভাবে সহায়তা করেছে। আমি যেভাবে সবার সহযোগীতা পেয়েছি, একজন ভালো চিকিৎসক হয়ে আমিও অন্যদের সহযোগীতায় কাজ করবো। শিমার মা আয়েশা বেগম বলেন, আমার দুই ছেলে কৃষিকাজসহ দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালায়। অভাবের সংসারে টানাপোড়নের মাধ্যমে শিমাকে পড়ালেখা করিয়েছি। সে এখন মেডিকেল কলেজে ভর্তি হবে। আমি চাই, সেও যেন ভবিষ্যতে অন্যের উপকারে এগিয়ে আসে। লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার বলেন, দরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থী কঠোর পড়ালেখার মাধ্যমে শিমা মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু টাকার অভাবে ভর্তি নিয়ে তার শঙ্কা ছিল। বিষয়টি আমাদের নজরে আসা মাত্রই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি। প্রাথমিকভাবে তার ভর্তিসহ শিক্ষাকার্যক্রমের আনুষঙ্গিক খরচের জন্য আমরা তাকে সহায়তা করেছি। ভবিষ্যতেও যে কোন প্রয়োজন জেলা প্রশাসন ও কমলনগর উপজেলা প্রশাসন তার পাশে থাকবে। শুধু শিমার ক্ষেত্রেই নয়, জেলার প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের তাদের শিক্ষাজীবনের প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য যা প্রয়োজন জেলা প্রশাসনের সেই উদ্যোগ গ্রহণ করবে। আর্থিক সহায়তা প্রধান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সম্রাট খীসা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জামশেদ আলম রানা ও কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুচিত্র রঞ্জন দাস।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা