June 8, 2026, 4:03 am
শিরোনাম:
রায়পুরে মাকে মারধরের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে রায়পুরে জনদুর্ভোগ নিরসনে মাঠে ইউএনও মেহেদী হাছান কাউছার নতুন প্রজন্মকে ফুটবল উপহার, মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বার্তা ছাত্রদল নেতা আব্দুল আল নোমানের রায়পুরে অগ্নিকাণ্ড: ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে উদ্ধার তৎপরতায় যুব রেড ক্রিসেন্ট শিশু ফারাবি হত্যার বিচারের দাবিতে রায়পুরে মহাসড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন রায়পুরে প্রতিবেশীর নির্যাতনে যমজ শিশু হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন রায়পুরে উৎসবমুখর পরিবেশে অ্যাডভোকেট রফিক উল্যাহ সোহাগের কনিষ্ঠ পুত্রের আকিকা সম্পন্ন রায়পুরে সপ্তর্ষি কালচারারএকাডেমীর বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান রায়পুরে সপ্তর্ষি কালচারারএকাডেমীর বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ‎রায়পুরে কিল-ঘুষিতে বৃদ্ধের মৃত্যু
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

চট্রগ্রা‌মে শিশু ইরা হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

Reporter Name

দেশ গিন্ত অনলাইন ডেস্ক:
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সাত বছরের শিশু ইরাকে পৈশাচিক কায়দায় গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত বাবু শেখকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

এর আগে মঙ্গলবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে অবুঝ শিশুটি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মৃত্যুর আগে শিশুটি বর্বরোচিত ধর্ষণের শিকার হয়েছিল।

গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের ভেতর একটি নির্জন স্থানে রক্তাক্ত অবস্থায় ইরাকে পড়ে থাকতে দেখেন সড়ক সংস্কার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা। তখন তার গলা থেকে অনবরত রক্ত ঝরছিল। মানবিকতা দেখিয়ে শ্রমিকরা নিজেদের পরনের কাপড় দিয়ে শিশুটির গলা পেঁচিয়ে রক্ত বন্ধ করার আপ্রাণ চেষ্টা করেন এবং দ্রুত সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় পরে তাকে চমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তিন দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে যায় শিশুটি।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শিশু ইরার বাড়ি উপজেলার কুমিরা এলাকায়। উদ্ধারের স্থানটি তার বাড়ি থেকে প্রায় পাঁচ থেকে সাত কিলোমিটার দূরে। সাত বছরের একটি শিশুর পক্ষে একা এত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যাওয়া অসম্ভব। পুলিশ জানায়, ঘাতক বাবু শেখ তাকে ফুসলিয়ে বা অপহরণ করে নির্জন পাহাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই আসামিকে ধরতে তারা বিশেষ অভিযান শুরু করে। প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার বিকেলে মূল হোতা বাবু শেখকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে।

সীতাকুণ্ড থানা সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় একটি হত্যা ও ধর্ষণ মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা