April 10, 2026, 10:37 pm
শিরোনাম:
ইরা‌নি মুদ্রায় ইরান‌কে টোল দি‌তে হবে হরমুজ প্রণালিতে শেরপুর-বগুড়া উপনির্বাচনে অনিয়মের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ হরমুজ প্রনা‌লি‌তে যুক্তরা‌ষ্ট্রের ২০ কো‌টি ডলা‌রের ড্রোন নি‌খোঁজ! আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ‌হ‌য়ে‌ছে মাল‌য়ে‌শিয়ার শ্রমবাজার খোলার জন‌্য দুই দে‌শের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হ‌য়ে‌ছে চু‌ক্তি ভঙ্গ করায় হরমুজপ্রনা‌লি পুনরায় বন্ধ করল ইরান সৌ‌দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ফ‌রিদগঞ্জের প্রবাসীর মর্মা‌ন্তিক মৃত‌্য! ওসমান হাদি হত্যার দুই আসামিকে ফেরত পাঠাতে সম্মত হ‌য়ে‌ছে ভারত রাজধানীর কিছু স্কুলে পরীক্ষামূলক অনলাইন-অফলাইন ক্লাস চালু হতে পারে : শিক্ষামন্ত্রী রায়পুর পৌরসভা কর্তৃক এডিপির ৯টি প্রকল্পের উন্নয়ন কাজের স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার লটারি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পুরনে এগিয়ে এলেন লক্ষ্মীপুরের ডিসি

Reporter Name

প্রদীপ কুমার রায়: কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়ে অর্থ সংকটে থাকা দারিদ্র্য পরিবারের সন্তান শিমা আক্তার চোখেমুখে অন্ধকার দেখছিলেন। অনিশ্চিত হয়ে পড়ে মেডিকেল কলেজে ভর্তি নিয়ে। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসলে তার দায়িত্ব নেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসক (ডিসি) রাজীব কুমার সরকার তার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শিমার হাতে ভর্তির প্রয়োজনীয় টাকাসহ শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেন। এতে ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবন নিয়ে অন্ধকার দূর হয়েছে শিমার। শিমা কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরজাঙ্গালীয়া গ্রামের আলী আহমেদের মেয়ে। তারা ৬ ভাই বোন। এরমধ্যে সে পরিবারের পঞ্চম সন্তান। সম্প্রতি ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৪৩১৬তম স্থান অর্জন করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে সুযোগ পায় শিমা। শিমা আক্তার বলেন, মেডিকেল পড়া আমার স্বপ্ন ছিল। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে আমি ভর্তির জন্য চূড়ান্ত হয়েছি। কিন্তু টাকার অভাবে তা ভেস্তে যেতে বসেছে। এখন জেলা প্রশাসন ও কমলনগর উপজেলা প্রশাসন আমাকে ভর্তির জন্য আর্থিকভাবে সহায়তা করেছে। আমি যেভাবে সবার সহযোগীতা পেয়েছি, একজন ভালো চিকিৎসক হয়ে আমিও অন্যদের সহযোগীতায় কাজ করবো। শিমার মা আয়েশা বেগম বলেন, আমার দুই ছেলে কৃষিকাজসহ দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালায়। অভাবের সংসারে টানাপোড়নের মাধ্যমে শিমাকে পড়ালেখা করিয়েছি। সে এখন মেডিকেল কলেজে ভর্তি হবে। আমি চাই, সেও যেন ভবিষ্যতে অন্যের উপকারে এগিয়ে আসে। লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার বলেন, দরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থী কঠোর পড়ালেখার মাধ্যমে শিমা মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু টাকার অভাবে ভর্তি নিয়ে তার শঙ্কা ছিল। বিষয়টি আমাদের নজরে আসা মাত্রই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি। প্রাথমিকভাবে তার ভর্তিসহ শিক্ষাকার্যক্রমের আনুষঙ্গিক খরচের জন্য আমরা তাকে সহায়তা করেছি। ভবিষ্যতেও যে কোন প্রয়োজন জেলা প্রশাসন ও কমলনগর উপজেলা প্রশাসন তার পাশে থাকবে। শুধু শিমার ক্ষেত্রেই নয়, জেলার প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের তাদের শিক্ষাজীবনের প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য যা প্রয়োজন জেলা প্রশাসনের সেই উদ্যোগ গ্রহণ করবে। আর্থিক সহায়তা প্রধান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সম্রাট খীসা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জামশেদ আলম রানা ও কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুচিত্র রঞ্জন দাস।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা