July 17, 2026, 8:32 am
শিরোনাম:
রায়পুরে মোটরসাইকেল-সিএনজি সংঘর্ষে আহত ৪, গুরুতর আহত তরিকুল ইসলাম সজিব রায়পুরে ‘জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পশ্চিম কেরোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত পরিচালনা কমিটির সকল সম্মানিত সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অ‌ভিনন্দন রায়পুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক রায়পুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যা নাকি আত্মহত্যা—এলাকাজুড়ে নানা প্রশ্ন রায়পুরে উপজেলা উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে মতবিনিময় সভা লক্ষ্মীপুরে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, ৪ প্রতিষ্ঠানে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা রায়পুরে মোবাইল কোর্টের অভিযান: প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি ও লাইসেন্স না থাকায় দুই ফার্মেসিকে জরিমানা রায়পুরের ৩ নম্বর ইউনিয়নে খাল খননের ভেকুর কারণে রাস্তার বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরম হায়দারগঞ্জে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিদ্যুতের পিলার স্থানান্তরের অভিযোগ, এলাকায় চাঞ্চল্য
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

ঢাকা ঘেরাও নয়, আন্দোলনের জন্য দরকার দেশের বড় বড় মাঠ ‎

Reporter Name

‎✍️  আবু মুসা মোহন
‎দেশে যখনই কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক দাবিতে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়, তখনই রাজধানী ঢাকাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পনা করা হয়। “ঢাকা ঘেরাও” যেন আন্দোলনের একমাত্র কৌশলে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এই ঘেরাও কর্মসূচির কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।

‎রাজধানী ঢাকার প্রতিটি বড় আন্দোলন মানেই গণপরিবহন বন্ধ, অফিস-আদালতের কার্যক্রম ব্যাহত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, এবং দিনমজুরদের জীবনে চরম কষ্ট। অথচ আন্দোলন ও গণআন্দোলন কোনো অপরাধ নয়; এটি একটি সাংবিধানিক অধিকার। তবে সেই অধিকার চর্চার ক্ষেত্রও হওয়া উচিত সুশৃঙ্খল, আইনসম্মত ও জনবান্ধব।

‎বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গণতান্ত্রিক দেশে জনগণের দাবিদাওয়া জানানোর জন্য নির্দিষ্ট ও বড় আকারের খোলা মাঠ থাকা দরকার। প্রতিটি বিভাগ, জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে যদি বড় বড় মাঠ বা “জনমঞ্চ” তৈরি করা যায়, তাহলে সেখানেই জনগণ তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারবে। এতে যেমন সাধারণ মানুষ ভোগান্তি থেকে বাঁচবে, তেমনি প্রশাসনও সহজে নিরাপত্তা দিতে পারবে।

‎রাজধানী ঢাকাকে বারবার অচল করার ফলে একদিকে অর্থনৈতিক ক্ষতি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। অনেক দেশেই দেখা যায়—রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য নির্ধারিত মাঠ, যেমন ভারতের “রামলীলা ময়দান” বা ইউরোপের “পাবলিক স্কোয়ার”—যেখানে নাগরিকেরা মুক্তভাবে বক্তব্য রাখে, র‌্যালি করে, কিন্তু শহরের চলাচল বা অর্থনীতি বন্ধ করে না।

‎বাংলাদেশেও তেমন উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। প্রতিটি বিভাগে যদি একটি করে “গণমঞ্চ” নির্ধারিত হয়—যেখানে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, শ্রমিক সংগঠন বা শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি উপস্থাপন করতে পারবে—তাহলে একদিকে শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রের চর্চা হবে, অন্যদিকে জাতির ভেতরে ঐক্যের সংস্কৃতি গড়ে উঠবে।

‎ঢাকা ঘেরাও মানেই বিশৃঙ্খলা—এই ধারণা বদলাতে হবে। আন্দোলন মানেই সংঘর্ষ নয়; এটি হতে পারে সচেতনতা ও ইতিবাচক পরিবর্তনের হাতিয়ার। যদি দেশের প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ স্থানে থেকে গণতন্ত্র চর্চা করে, তাহলে দেশের রাজধানী নয়, গোটা বাংলাদেশই হবে জনগণের আসল গণমঞ্চ।এই বিষয়টি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দৃষ্টি কামনা করছি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা