August 18, 2026, 5:18 pm
শিরোনাম:
রায়পুর থানার উদ্যোগে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ দক্ষিণ চরবংশী ইউপির সচিবের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ নুরুজ্জামান ফিরোজকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে নতুন ব্যবসায়িক যাত্রা, উদ্বোধন হলো ‘Yadea Lakshmipur–Next Ride’ রায়পুরে জন্মনিবন্ধনে তালবাহানার অভিযোগ, সচিবের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ রায়পুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ তালাকের পরও স্বামীর ঘরে স্ত্রী, ঘর ছাড়তে বলায়  মামলা। রায়পুরে ভক্তিবেদান্ত মেগা কনটেস্ট অনুষ্ঠিত রায়পুরে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেল সৌরভ সাহা দে‌শে বিদ‌্যুৎ প‌রি‌স্থি‌তি স্থি‌তিশীল রাখ‌তে নতুন সিদ্ধান্ত
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

রায়পুর পৌরসভার অফিস সহায়ক দিদারুল আলমের পরিবারকে ১ লাখ টাকার সহায়তা

প্রদীপ কুমার রায়

প্রদীপ কুমার রায়:
রায়পুর পৌরসভার পরিচিত মুখ, সাদাসিধে জীবনযাপনে সবার প্রিয় মানুষ দিদারুল আলমের আকস্মিক মৃত্যুতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। কর্মস্থলে দায়িত্বশীলতা, বিনয়ী আচরণ আর নীরব নিষ্ঠায় তিনি সহকর্মীদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। সেই মানুষটির হঠাৎ চলে যাওয়া যেন এখনো বিশ্বাস করতে পারছেন না স্বজন, সহকর্মী ও এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার রাতের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে পড়ে তার পরিবার। স্বজনদের আহাজারি, প্রতিবেশীদের শোক, আর পরিচিতজনদের স্তব্ধ দৃষ্টি—সব মিলিয়ে মধুপুর গ্রামের আকাশ-বাতাস যেন ভারী হয়ে ওঠে বিষাদের আবরণে।
এই শোকাবহ মুহূর্তে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে রায়পুর পৌরসভা কতৃপক্ষ।
দিদারুল আলমের অকাল মৃত্যুতে তার পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে চাকুরিকালীন মৃত্যু সুবিধা ফান্ড থেকে পৌরসভার পক্ষ থেকে ১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার ৩ এপ্রিল দিদারুল আলমের পরিবারের হাতে এই সহায়তার অর্থ তুলে দেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান কাউছার। এ সময় তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, একজন কর্মঠ ও নিবেদিতপ্রাণ মানুষকে হারানো শুধু পরিবারের নয়, পুরো পৌর পরিবারেরই অপূরণীয় ক্ষতি।
জানা যায়, দিদারুল আলম ছিলেন রায়পুর পৌর শহরের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কবি দেলোয়ারের পুত্র। পারিবারিকভাবে তিনি ছিলেন একজন সৎ, বিনয়ী ও দায়িত্ববান মানুষ। বাবার দেশপ্রেম আর মানবিক আদর্শ যেন নিজের জীবনেও বহন করতেন নীরবে।
পৌরসভার সহকর্মীরা জানান, দিদারুল আলম ছিলেন এমন একজন মানুষ, যিনি ছোট পদে থেকেও বড় মনের পরিচয় দিয়েছেন প্রতিনিয়ত। অফিসের প্রয়োজনে তিনি ছিলেন সবসময় আন্তরিক, দায়িত্ব পালনে ছিলেন নিরলস।
দিদারুল আলমের মৃত্যুতে রায়পুর পৌরসভা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সহকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে তার রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সবাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা