April 22, 2026, 11:56 pm
শিরোনাম:
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যু‌দ্ধের প্রভা‌বে ‌বিশ্ববাজা‌রে বে‌ড়ে‌ছে কন্ড‌মের চা‌হিদা এবং দাম চিকিৎসক সংকটে অচল হ‌য়ে প‌ড়ে‌ছে রায়পুরের দু’টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্ৰ মালয়েশিয়ায় ১৪ প্রবাসী শ্রমিকের বেতন হ‌তি‌য়ে নি‌য়ে লাপাত্ত‌া সুপারভাইজার রায়পুর কেরোয়া মোল্লারহাটে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু! আতংকে এলাকাবাসী রায়পুরে ফুটপাত দখল ও মূল্য তালিকা না থাকায় মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ৯ হাজার টাকা ‎ রায়পুর চরপাতা থে‌কে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ২ জন‌ গ্রেফতার কমলনগরে অটোরিক্সাসহ চোর চক্রের ৪(চার) সদস্য গ্রেফতার। রায়পুরে ইঞ্জিনিয়ার ছাড়াই সিসি ঢালাইয়ের কাজ: উর্ধ্বতন প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা আজ থেকে সারা দেশে শিশু‌দের হামের টিকা ‌দেওয়া হ‌বে তে‌লের পর বাড়লো গ‌্যা‌সের দাম!
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

সুদের টাকা দিতে না পারায় মারধরে ব্যবসায়ীর মৃত্যু! জানাজার পরও দাফন করা হয়নি মরদেহ মর্গে

Reporter Name

মাহমুদুর রহমান মনজু,
লক্ষ্মীপুর

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় মারধরের শিকার হয়ে আব্দুর রহিম (৫৭) নামে এক সাবেক বিডিআর সদস্য ও বেকারি ব্যবসায়ীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বাদ জোহর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হলেও দাফন করা হয়নি। ন্যায়বিচারের দাবিতে তার মরদেহ রাখা হয়েছে লক্ষ্মীপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে।

নিহত আব্দুর রহিম লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের মতলবপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ উল্যার ছেলে। তিনি সোনাইমুড়ীর আমিশাপাড়া বাজারের মিথিলা বেকারির মালিক ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বিডিআর বিদ্রোহের সময় তিনি সরাইলে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ঘটনার পর তিনি চাকরিচ্যুত হন এবং ৯ মাস কারাভোগ করেন। এরপর আরেক সাবেক বিডিআর সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে আমিশাপাড়া বাজারে বেকারি ব্যবসা শুরু করেন।

পরিবারের অভিযোগ, চার দিন আগে সুদের টাকা নিয়ে বাজারের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার হাতাহাতি হয়। ঘটনার পর দুই দিন তিনি লক্ষ্মীপুরে বাড়িতে ছিলেন। বুধবার সকালে দোকান খুলতে গেলে ওই ব্যবসায়ী ২০–২৫ জন লোক নিয়ে তাকে বাজারের মাঝখানে মারধর করে।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা প্রথমে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিলে বুধবার রাত ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের স্ত্রী জোবেদা খাতুন বলেন, “স্বামীর অচেতন দেহ রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে এক বৃদ্ধ আমাকে ফোন দেন। হাসপাতালে প্রথমে হার্ট অ্যাটাক বলা হলেও পরে জানতে পারি, তাকে বাজারেই পিটিয়ে ফেলে রাখা হয়। তাই বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তার দাফন করব না।”

পরিবার দ্রুত ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের গ্রেপ্তার দাবি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা