সাম্প্রতিক সংবাদ অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত হরমুজ প্রণালী অবরোধে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ন্যাটো (NATO) শরিকরা।
যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ ন্যাটোর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য দেশগুলো জানিয়েছে যে তারা এই মুহূর্তে কোনো যুদ্ধে জড়াতে চায় না এবং এই অবরোধে তারা অংশ নেবে না। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, কোনো চাপে নতি স্বীকার করে তারা যুদ্ধে জড়াবেন না।
রবিবার (১২ এপ্রিল, ২০২৬) ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান ও হরমুজ প্রণালী অবরোধের ঘোষণা দেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে ন্যাটো প্রণালীটি নিরাপদ করতে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে, কিন্তু ন্যাটো মিত্ররা সেই দাবি নাকচ করে দিয়েছে।
ন্যাটো শরিকরা অবরোধের পরিবর্তে একটি কূটনৈতিক পদ্ধতির মাধ্যমে নৌ-চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছে।
বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০% এই রুট দিয়ে পরিবাহিত হয়। ন্যাটো দেশগুলো মনে করছে অবরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে এবং ট্রাম্প ন্যাটোর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।