September 15, 2026, 6:30 pm
শিরোনাম:
শিশুর অপরাধ কী? কারাগারে কেটে গেল সাত বছরের শৈশব রায়পুরে আওয়ামী লীগ নেতার গোডাউন থেকে বিপুল পরিমাণ মজুদ করা সার জব্দ রায়পুরে বাগান থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার শিশুশ্রমিককে আটকে ৮০ হাজার টাকা দাবি, তথ্য সংগ্রহে গিয়ে মবের শিকার ৪ সাংবাদিক রায়পুরে শুরু হয়েছে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ঠিকাদারের ইচ্ছেনুযায়ী মরিচায় খাওয়া নিম্নমানের রড দিয়ে চলছে রায়পুর পৌরসভা নতুনবাজার ড্রেইন নির্মাণ কাজ, স্থানীয়দের ক্ষোভ! রায়পুর ট্রাভেল গ্রুপ (RTG)-এর আত্মপ্রকাশ, আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু রায়পুরের চরাঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ড্রেস ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ রায়পুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১০ পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা টিন বিতরণ
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

বিদেশে নির্যাতন ও মুক্তিপণ বাণিজ্য, লিবিয়া চক্রের মূলহোতা বাংলাদেশে গ্রেপ্তার।

Reporter Name

মাহমুদুর রহমান মনজু

লক্ষ্মীপুর: লিবিয়ায় বাংলাদেশী শ্রমিকদের অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় খন্দকার রিফাত হোসেন (২৬) নামে যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশনের সদস্যরা৷

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে তাকে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় তাকে ঢাকার সূত্রাপুর থানাধীন বেগমগঞ্জ লেন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় ২০২৪ সালের ৭ মার্চ লক্ষ্মীপুরের আদালতে একটি মামলা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

রিফাত টাঙ্গাইলের বাসাইলের খন্দকার রমজানের ছেলে।

ঘটনা সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে লিটন হোসেন ওরপে সুমন লিবিয়াতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। সেখান থেকে ইতালি যাবার লক্ষ্যে সে ৭২ হাজার দিনার, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ১৫ লাখ টাকা জমা করে। খন্দকার রিফাত নামে আরেকজন লিবিয়া প্রবাসীর সাথে তার পরিচয় হয়। লিটনের কাছে দিনার থাকার বিষয়টি জানতে পারে রিফাত। পরে লিবিয়া ও পাকিস্তানি মাফিয়াচক্রের সহায়তায় লিটনকে ২০২৪ সালের ২৭ জানুয়ারি অপহরণ করে রিফাত। সেখানে তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করে ৭২ হাজার দিনার নিয়ে যায়। তাকে নির্যাতনের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও চিত্র তার পরিবারের মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে ৫০ লাখ টাকা দাবি করে এবং দফায় দফায় মোটা অংকের মুক্তিপণ আদায় করে।

পরে এ ঘটনা নিয়ে লক্ষ্মীপুর আদালতে মামলা করে ভিকটিম লিটনের মামা মো. আনোয়ার হোসেন। মামলায় লিবিয়ায় থাকা রিফাতের শাশুড়ী ঢাকার সুত্রাপুরের বাসিন্দা আনু আক্তার ও তাদের আত্মীয় দিদার হোসেনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়।

পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশ মামলাটি তদন্ত করে নোয়াখালী পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন। মামলার বিষয়টি জানতে পেরে অপহরণের ২ মাস ২০ দিন পর অপহরণকারীরা তাকে ছেড়ে দেয়।

পিবিআই এর উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, ঘটনার মূলহোতা খন্দকার রিফাত গত ১৩ মে বাংলাদেশে আসে পলাতক থাকে। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তাকে আটক করা হয়। সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। পরে তাকে অপহরণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা