লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি: তানজিল মাহমুদ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০২৬কে সামনে রেখে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ৩ নম্বর চর মোহনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান সুমন। তিনি চর মোহনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম সিদ্দিকুর রহমানের মেঝো ছেলে।
দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত মোস্তাফিজুর রহমান সুমন বর্তমানে ৩ নম্বর চর মোহনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁকে নিয়ে আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন ভোটার ও তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, মোস্তাফিজুর রহমান সুমনকে তাঁরা চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান। তাঁদের মতে, এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের যোগাযোগ, পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয় ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা তাঁকে স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সমর্থকদের দাবি, সুযোগ পেলে তিনি এলাকার উন্নয়ন, জনসেবা, শিক্ষা, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নসহ সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করতে চান। তাঁদের ভাষ্য, নেতৃত্বের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সেবামূলক ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা রয়েছে সুমনের।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়ার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বলেও স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশের দাবি। তবে এ বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চর মোহনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে হওয়ায় পারিবারিকভাবেও স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর পরিচিতি রয়েছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও স্থানীয় পর্যায়ে যোগাযোগ—সব মিলিয়ে চেয়ারম্যান পদে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে তাঁর সমর্থকদের একটি অংশ ইতোমধ্যে তাঁকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তবে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং দলীয় মনোনয়ন এখনো নিশ্চিত হয়নি।
নির্বাচনী কার্যক্রম ও দলীয় সিদ্ধান্তের পরই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতার বিষয়টি স্পষ্ট হবে। শেষ পর্যন্ত কারা মাঠে থাকছেন এবং ভোটারদের সমর্থনের চিত্র কোন দিকে যায়—তা নিয়েই এখন চর মোহনা ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।