October 24, 2026, 5:53 am
শিরোনাম:
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, রায়পুরে ৪ জেলের কারাদণ্ড পলিথিনমুক্ত হায়দরগঞ্জ গড়তে প্রবাসী কল্যাণ ফোরামের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দে‌খি‌য়ে রায়পুর মেঘনায় চল‌ছে ইলিশ শিকার স্বামীকে বাঁচাতে স্ত্রীর আকুতি, এক বছরের শিশুর মাথার ওপর অনিশ্চয়তার ছায়া সেবার হাত বাড়াতে রায়পুরে প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের পরিচর্যা প্রশিক্ষণ কমলনগরে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযান, ৭ জেলের কারাদণ্ড দাম্মাম বিমানবন্দরে ফের হামলা, নিহত ১, আহত অন্তত ৮ বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট চালুর দিনেই নতুন করে উদ্বেগ রায়পুরে হাসপাতালের ছাদের পলেস্তারা খসে দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন মেডিকেল অফিসারসহ চার রোগী রায়পুরে বিরিয়ানির দোকানে ডিবির অভিযান, ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ রায়পুরে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

ফেনীতে এক পাশে পানি কমছে, অন্য পাশে বাড়ছে

Reporter Name

‎
‎ আবু মুসা মোহন ;-ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে আবারও বন্যার কবলে পড়েছে ফেনীর পাঁচটি উপজেলা। মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ২১টি স্থানে ভাঙনের কারণে প্লাবিত হয়েছে একের পর এক জনপদ। বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট তলিয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন জেলার লাখো মানুষ।
‎
‎তবে জেলার সীমান্তবর্তী পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় পানি কমতে শুরু করলেও, নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে ছাগলনাইয়া, ফেনী সদর ও দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা। শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজীর বিভিন্ন এলাকায় এমন চিত্র দেখা যায়।
‎
‎জেলা প্রশাসনের তথ্য নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে অন্য তিনটি উপজেলা। এ পর্যন্ত জেলার ১০৯টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ বন্যার পানিতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ৯ হাজার ৫০০ মানুষ, যাদের জন্য খোলা হয়েছে ৮২টি আশ্রয়কেন্দ্র।
‎
‎ফুলগাজী উপজেলার দৌলতপুর এলাকার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ পর আজ সূর্যের দেখা মিলেছে। বাড়িতে এখনো হাঁটুসমান পানি। আশা করছি বৃষ্টি না হলে দ্রুত পানি নেমে যাবে। তবে এখনো বাঁধের ভাঙা জায়গা দিয়ে পানি ঢুকছে। ফেনী-পরশুরাম সড়কের অনেক জায়গায় এখনো পানি থাকায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
‎
‎পরশুরামের পশ্চিম অলকার বাসিন্দা মোহাম্মদ মাসুম বলেন, বাড়ি থেকে পানি নেমে গেছে, কিন্তু ঘরের সবকিছু নষ্ট হয়ে গেছে। প্রতিবছর পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়সারা কাজের কারণে আমরা এই দুর্ভোগে পড়ি।
‎
‎ফেনী সদর উপজেলার মোটবীর ইজ্জতপুর এলাকার কহিনুর বেগম বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে বাড়িতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করা হয়েছে।
‎
‎ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আক্তার হোসেন মজুমদার বলেন, পরশুরাম ও ফুলগাজীতে পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও ছাগলনাইয়া ও ফেনী সদরে পানি বাড়ছে। বাঁধের ভাঙা জায়গা দিয়ে এখনো পানি প্রবেশ করছে। পানি কমার পরই বাঁধ মেরামতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
‎
‎এর আগে গত মঙ্গলবার (৮ জুলাই) মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর ২১টি স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে গিয়ে হঠাৎ করে বন্যার সৃষ্টি হয়, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন উপজেলায়।
‎


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা