September 3, 2026, 5:17 am
শিরোনাম:
রায়পুরে এখনো জ্বলছে লাকড়ির চুলা, ঐতিহ্য ধরে রেখেছে ‘বড় মিয়ার চায়ের দোকান’ রায়পুরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার ৪ নম্বর ওয়ার্ডকে ‘মডেল ওয়ার্ড’ গড়ার অঙ্গীকার সুমন হাওলাদারের রায়পুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সৌদিতে এক বাংলাদেশি প্রবাসীকে গুলি করে হত্যা! বান্দরবানে বিভিন্ন এলাকায় মাদকের ছড়াছড়ি, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন রায়পুরে ৩৫ লাখ টাকার স্বর্ণ চুরি, দুই কিশোর গ্রেপ্তার রায়পুরে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণার্থীদের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ বান্দরবানে লোডশেডিংয়ের ভেলকিবাজি, বিপাকে পর্যটক ও স্থানীয়রা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার শঙ্কা, ক্ষোভ বাড়ছে জনমনে রায়পুরে পূজা পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি-সম্পাদককে সংবর্ধনা, জন্মাষ্টমী উৎসব সফল করতে মতবিনিময়
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

রায়পুরে এখনো জ্বলছে লাকড়ির চুলা, ঐতিহ্য ধরে রেখেছে ‘বড় মিয়ার চায়ের দোকান’

আরিফ হো‌সেন রুদ্র

আরিফ হোসেন রুদ্র ( রায়পুর, লক্ষ্মীপুর)
সময় বদলেছে, বদলেছে মানুষের জীবনযাত্রা ও রান্নার ধরন। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন অধিকাংশ খাবারের দোকানে গ্যাসের চুলা, বৈদ্যুতিক স্টোভসহ নানা আধুনিক সরঞ্জামের ব্যবহার। তবে আধুনিকতার এই স্রোতেও নব্বই দশকের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের একটি পুরোনো চায়ের দোকান। আজও সেখানে জ্বলছে লাকড়ির চুলা।
রায়পুর পৌর শহরের পোস্ট অফিস রোডের মাছ বাজারসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত দোকানটি স্থানীয়দের কাছে পরিচিত ‘বড় মিয়ার দোকান’ নামে। দীর্ঘদিন ধরে এই দোকানে লাকড়ির চুলায় তৈরি করা হচ্ছে চা। পুরোনো সেই স্বাদ নিতে এখনো নিয়মিত ভিড় করেন স্থানীয় ক্রেতারা।
দোকানটির বর্তমান দায়িত্বে রয়েছেন মিন্টু হোসেন। বাপ-দাদার আমল থেকে চলে আসা দোকানটির ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন তিনি। সময়ের সঙ্গে আশপাশের অনেক কিছু বদলে গেলেও দোকানের পুরোনো পরিবেশ ও লাকড়ির চুলায় চা তৈরির ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা করছেন মিন্টু।
মাছ বাজারের পাশে হওয়ায় প্রতিদিনই এ এলাকায় নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের আনাগোনা থাকে। তাদের অনেকের কাছেই ‘বড় মিয়ার দোকান’ শুধু একটি চায়ের দোকান নয়; বরং এটি পুরোনো রায়পুরের স্মৃতি ও ঐতিহ্যের একটি অংশ।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, নব্বই দশক থেকে চলে আসা এই দোকানের লাকড়ির চুলায় তৈরি চায়ের মধ্যে রয়েছে আলাদা স্বাদ ও আকর্ষণ। আধুনিকতার ভিড়ে এমন একটি পুরোনো দোকান এখনো টিকে থাকাকে তারা রায়পুরের স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে দেখছেন।
মিন্টু হোসেন বলেন, “বাপ-দাদার রেখে যাওয়া ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা করছি। সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু আধুনিক হয়েছে। কিন্তু মানুষের ভালোবাসা আর এই পুরোনো ঐতিহ্যের জায়গাটি ধরে রাখাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।”
রায়পুরের ব্যস্ত পোস্ট অফিস রোডে তাই এখনো দেখা মেলে নব্বই দশকের সেই চেনা দৃশ্য—লাকড়ির আগুনে জ্বলছে চুলা, উঠছে ধোঁয়া, আর সেই আগুনে তৈরি হচ্ছে চায়ের পুরোনো স্বাদ। আধুনিকতার ভিড়েও ‘বড় মিয়ার দোকান’ যেন ধরে রেখেছে রায়পুরের হারিয়ে যেতে বসা এক টুকরো ঐতিহ্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা