লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এক মাসের ব্যবধানে বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোনো কোনো গ্রাহকের বিল কয়েক গুণ বেড়েছে, আবার অনেকের বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণও অস্বাভাবিকভাবে বেশি দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের পক্ষ থেকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির রায়পুর জোনাল কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপককে (ডিজিএম) এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই)বিকাল ৩টায় বামনী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাস্টার মঞ্জুল কবির বিএসসির নেতৃত্বে শতাধিক গ্রাহক রায়পুর জোনাল কার্যালয়ে গিয়ে ডিজিএম মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তুলে ধরে বিল পুনঃযাচাই, ভুল সংশোধন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, গত মাসে যে গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল ছিল ১০৫ টাকা, চলতি মাসে তার বিল এসেছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ টাকা। একইভাবে, জুন মাসে কোনো কোনো গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার প্রায় ১৩০ ইউনিট থাকলেও জুলাই মাসের বিলে তা ৬০০ থেকে ৬৫০ ইউনিট পর্যন্ত দেখানো হয়েছে। এতে রায়পুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শত শত গ্রাহক বিপাকে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
মাস্টার মঞ্জুল কবির বিএসসি বলেন, ‘গণহারে গ্রাহকদের অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল দেওয়া হয়েছে। বিলগুলো পুনঃযাচাই করে দ্রুত সংশোধন করতে হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
এদিকে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে রায়পুরের বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে এ নিয়ে আরও বড় ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচি হতে পারে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা।
অভিযোগের বিষয়ে রায়পুর পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘গ্রাহকদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। বিল-সংক্রান্ত বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।