July 27, 2026, 6:01 am
শিরোনাম:
রায়পুর পল্লী‌বিদ‌্যু‌তের ডি‌জিএম‌কে এক সপ্তা‌হের আলটিমেটাম!! রায়পুরে পেঁপে চাষে সফল সানাউল্যা, বাজারে ব্যাপক চাহিদা রায়পুরে মহিলা কলেজ সড়কে মাটিযুক্ত কংক্রিট দিয়ে সিসি ঢালাইয়ের অভিযোগ রায়পুরে ‘গ্রিন লাইফ’ ডায়গনস্টিকঃ চিকিৎসাসেবার নামে প্রতারণার অভিযোগ ফ্রি ভে‌রিফাইড ব‌্যাজ চালু ক‌রে‌ছে ফেসবুক রায়পুর পৌর ২ নং ওয়ার্ডে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ও কারাদণ্ড রায়পুরে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন প্রবাসী রুবেল রায়পুরে প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর হামলা, ঘর ভাঙচুর ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ ‎ রায়পুরে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, আতঙ্কে এলাকাবাসী রায়পুরে প্রবাসীর বাড়িতে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন দেওয়ার অভিযোগ
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

রায়পুরে ‘গ্রিন লাইফ’ ডায়গনস্টিকঃ চিকিৎসাসেবার নামে প্রতারণার অভিযোগ

Reporter Name

 

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার হায়দারগঞ্জ বাজারের বাংলা বাজার এলাকায় অবস্থিত গ্রিনলাইফ ডায়গনস্টিক সেন্টার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই রোগী দেখা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে কথা হলে কর্মরত এক চিকিৎসক সহকারী জেসমিন আক্তার জানান, “তিনি প্রায় তিন মাস ধরে সেখানে কাজ করছেন। তাঁর ভাষ্য, তিনি চিকিৎসকদের সহকারী হিসেবে টিকিট লেখার কাজ করেন। তিনি দাবি করেন, আগের দিনও রোগীর ভীড় ছিল এবং দুজন চিকিৎসক রোগী দেখেছেন।”

প্রতিষ্ঠানের প্যাথলজি টেকনিশিয়ান পরিচয় দেওয়া সুমন বলেন, “তিনি প্রায় এক মাস ধরে এখানে কর্মরত আছেন। তবে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না এবং এ বিষয়ে হাসপাল মালিক রাকিবুল ইসলাম ভালো বলতে পারবেন বলে জানান।”

প্রতিষ্ঠানের মালিক এটিএম রাকিবুল ইসলাম দোষ স্বীকার করে বলেন, অনুমতি ছাড়া হাসপাতাল খুলে চিকিৎসা সেবা দেওয়া উচিৎ হয়নি। ভবিষ্যতে এমন ভুল করবেন না। এটা নিয়ে কোন নিউজ না করার অনুরোধ করে বলেন, প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লক্ষ্মীপুরে জমা দেওয়া হয়েছে এবং যেকোনো সময় অনুমোদন পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা করছেন। “তার ভাষায়, “সব কাগজপত্র আপডেট হলে নিয়ম অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করব। ”

তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাস্তবে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত রোগী দেখা হয় এবং বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা হচ্ছে। তাদের দাবি, যেসব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নাম ব্যবহার করা হচ্ছে, তাদের অনেকেই সেখানে নিয়মিত আসেন না। এছাড়া দক্ষ টেকনিশিয়ান ছাড়াই বিভিন্ন পরীক্ষা করা হচ্ছে, যা রোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং প্রতারণার শামিল।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনুমোদনহীনভাবে কোনো প্রতিষ্ঠান চিকিৎসাসেবা দিতে পারে না। তাই বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার বাহারুল আলম বলেন” আমি নতুন যোগদান করেছি এ বিষয়ে আমার জানা নেই, এখন আপনার থেকে জানলাম, খোঁজখবর নিয়ে দেখি আবেদন, অনুমতি না থাকলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা