July 21, 2026, 9:13 pm
শিরোনাম:
রায়পুরে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, আতঙ্কে এলাকাবাসী রায়পুরে প্রবাসীর বাড়িতে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন দেওয়ার অভিযোগ বান্দরবানে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত: নির্যাতিত মুসলিম নারীকে উদ্ধার করে পাশে দাঁড়ালেন মারমা নারী ম্রানুচিং মারমা সরকারি উদ্যোগে ১৪শ বৈদ্যুতিক বাস আসছে ঢাকায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জোনাকি পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ১, আহত অন্তত ৬ আগস্ট মাসে প্রবাসী কা‌র্ডের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন, মিলবে ১০টি বিশেষ সুবিধা আনারসের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানুন রায়পু‌রে জুলাই শহিদ দিবস উপল‌ক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানে আওয়ামী ২ নেতার উপ‌স্থি‌তি নি‌য়ে চল‌ছে নানা সমা‌লোচনা! বান্দরবানে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ রায়পুরে মোটরসাইকেল-সিএনজি সংঘর্ষে আহত ৪, গুরুতর আহত তরিকুল ইসলাম সজিব
নোটিশ :
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন ০১৬২৪৩০৪৪৪৭ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ ০১৭৭৯০৫৫১১১

রায়পুরে মাদকের ভয়াল থাবা: প্রশাসনের নীরবতা নাকি ‘আইওয়াশ’?

Reporter Name


‎আবু মূসা মোহন :-

‎লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে মাদক বাণিজ্য ও সেবন। প্রকাশ্যে বিক্রি, অলিগলিতে আসক্তদের আনাগোনা সব মিলিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে বাড়ছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ।
‎অথচ অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের ভূমিকা অনেকটাই নীরব, মাঝে মাঝে সীমিত অভিযানে যেন শুধু ‘আইওয়াশ’ করেই দায় সারছে সংশ্লিষ্টরা।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রায়পুর পৌর শহরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলের অবাধ বিস্তার ঘটেছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজের একটি অংশ দ্রুত জড়িয়ে পড়ছে এই মরণ নেশায়। সন্ধ্যা নামলেই কিছু নির্দিষ্ট পয়েন্টে জমে ওঠে মাদক আসর যা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পান অনেকেই।
‎একাধিক সচেতন নাগরিক অভিযোগ করে বলেন,
‎প্রশাসন সব জানে, কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা নেয় না। মাঝে মাঝে অভিযান চালানো হলেও মূল হোতারা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।
‎অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক ছত্রছায়া ও প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তির কারণে মাদক কারবারীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। ফলে ছোটখাটো অভিযান দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হলেও তা স্থায়ী কোনো সমাধান দিচ্ছে না।
‎এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হলেও স্থানীয়দের মতে, তা পর্যাপ্ত নয় এবং অনেক ক্ষেত্রেই বড় সিন্ডিকেট অক্ষত থাকছে।
‎সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান না নিলে ভবিষ্যতে রায়পুরের সামাজিক কাঠামো ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়বে। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ, নিয়মিত অভিযান এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার জোর দাবি জানিয়েছেন।
‎প্রশ্ন রয়ে গেছে রায়পুর কি ধীরে ধীরে মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে? নাকি সংশ্লিষ্টদের নিরবতা এই পরিস্থিতিকে আরও উৎসাহিত করছে?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা