ডেস্ক নিউজ:
রাশিয়া থেকে তেল আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ অনুমতি বা অস্থায়ী ছাড় (ওয়েভার) চেয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের মতো বাংলাদেশকেও একই ধরনের সুবিধা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তথ্যসূত্র কালের কণ্ঠ।
বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর শেরেবাংলানগরে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিসটেনসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
মন্ত্রী জানান, বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যে সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ বিকল্প উৎস খুঁজছে। এ কারণে রাশিয়া থেকে তেল কেনার সুযোগ পেতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অস্থায়ী ছাড় চাওয়া হয়েছে।
কেন এই ওয়েভার গুরুত্বপূর্ণ?
বর্তমানে রাশিয়ার জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে অনেক দেশ সরাসরি রাশিয়ার তেল কিনতে গেলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়ে। রাশিয়ার জন্য যুদ্ধ যেন আশীর্বাদ হতে যাচ্ছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ভারতের জন্য ৩০ দিনের একটি অস্থায়ী ওয়েভার দিয়েছে, যাতে সমুদ্রে আটকে থাকা রাশিয়ার তেলের কার্গো ভারত কিনতে পারে। এই সিদ্ধান্ত মূলত বৈশ্বিক তেল সরবরাহের সংকট কমানোর জন্য নেওয়া হয়েছে। 
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচলের পথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সস্তা রুশ তেল অনেক দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠছে।
এখন দেখার বিষয়, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে ভারতের মতো কোনো অস্থায়ী ছাড় দেয় কি না। যদি দেয়, তাহলে বাংলাদেশের জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব পড়তে পারে।